কক্সবাজার থেকে প্রচারিত পেইজবুক পেইজ টিটিএনসহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও প্রিন্ট পত্রিকায় প্রকাশিত “কুতুবদিয়ায় অবরুদ্ধ চারটি পরিবার” শীর্ষক একটি সংবাদ আমাদের দৃষ্টিতে গোচর হয়েছে। আমরা উক্ত সংবাদের একাংশের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

সংবাদের একটি অংশে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের নামে মিথ্যাচার করে সমাজে আমাদের পরিবারকে হেয় করা হয়েছে। সংবাদের বিভিন্ন অংশে প্রকৃত সত্যকে গোপন রেখে আমাদের পরিবারকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করে অসত্য তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।সংবাদটির একাংশ সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, বৃদ্ধ আবদুল মজিদ ৫ দশক আগে নোয়াখালী থেকে এসে বড়ঘোপ রুমাই পাড়ার স্থানীয় বাদশা মেম্বারের আপন বোন মোবারেকা বেগমকে বিয়ে করেন। বর্তমানে বসবাসরত বাড়ির দক্ষিণ পাশের প্রতিবেশী সাইফুলের চাচা শেরউল্লাহর নিকট থেকে বাড়িটি বসতভিটাসহ মোবারেকার নামে ক্রয় করেছিলেন তার বাবা এজাহার। সেই ক্রয়কৃত জায়গায় ৫০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন তারা।

বাড়ির উত্তরে আবদুল বাসেত ও নুরুল কাদেরের বসতবাড়ি। বাড়ির সামনে পূর্বপার্শ্বে মোবারেকার আপন চাচাতো ভাই সোলেমান ও মোঃ ছৈয়দের বসতবাড়ি ও ভিটা। তাদের বাড়ির পেছনে পশ্চিমে আমরা নুরুল আমিন গংদের বসতভিটা। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী গত ৪৮ বছর ধরে উভয় পরিবার একসাথে দক্ষিণ পাশের রাস্তা ব্যবহার করে চলাচল করেছে।

সংবাদে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত দুই বছর ধরে পারিবারিক রাস্তা দিয়ে চলাচল করেছে তারা। কিন্তু কোন পরিস্থিতিতে তাদেরকে আমরা পারিবারিক রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে দিয়েছি সে মানবিকতার বিষয়টি সংবাদে উল্লেখ করা হয়নি। প্রকৃত ঘটনাকে সম্পূর্ণ মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করে পরিবেশন করা হয়েছে। অথচ প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- দক্ষিণ পাশের প্রতিবেশী সাইফুল চলাচলের রাস্তায় বাধার সৃষ্টি করলে উভয় পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টির হয়। পরে মনিরের পরিবার পূর্ব পাশে অবস্থানরত মায়ের চাচাতো ভাই সোলাইমান থেকে রাস্তার জন্য রেজিস্টার্ড কবলামূলে চার কড়া জায়গায় ক্রয় করেন। পরবর্তীতে সোলাইমানের পরিবার ক্রয়কৃত রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়। ফলে মনিরের পরিবারটি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সেই পরিস্থিতিতে মনিরসহ পরিবারের সদস্যরা আমাদের অনুরোধ করেন। বিরোধ নিরসন পর্যন্ত অন্তত ২ মাস চলাচলের জন্য অনুরোধ করেন।

আমরা নুরুল আমিন গং তাদেরকে মানবতা দেখিয়ে আমাদের ১৬৫৩ নং খতিয়ান ভুক্ত পারিবারিক বসতভিটার উপর দিয়ে চলাচলের সুযোগ করে দিই। এমন কাজে পরিবারটিসহ এলাকাবাসী আমাদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানায়। ২ মাসের বদলে পরিবারটি প্রায় দেড় বছর আমাদের খতিয়ানভুক্ত বসতভিটা দিয়ে চলাচল করে। পরে আবদুল মজিদের ছেলে মনির তাদের ক্রয়কৃত রাস্তা উদ্ধার করার জন্য আমাদের পারিবারিক বসত ভিটা দিয়ে চলাচল রাস্তাটি বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু সংবাদে রাতারাতি দেয়াল দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

সংবাদের একটি অংশে বলা হয়েছে বাড়ির পেছনে একটি পারিবারিক রাস্তা দিয়ে গত দুই বছর ধরে চলাচল করেছে অবরুদ্ধ পরিবারটি। মূলত তাদের বাড়ির পেছনে তাদের মালিকাধীন কোন চলাচল রাস্তা নেই এই কখনো ছিল না। আমরা সংবাদের এহেন মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং প্রাশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

নিবেদক
নুরুল আমিন গং
রুমাই পাড়া,বড়ঘোপ,কুতুবদিয়া,কক্সবাজার।