মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু:
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ১৮কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে মানুষের নিত‍্যসঙ্গী এখন মিয়ানমারের অভ‍্যন্তরের বিভিন্ন প্রকার বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। গতকাল বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন পারভিন তিবরীজি ও পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম যাওয়ার পর সন্ধা থেকে কখনো অনবরত,কখনো থেমে থেমে,সীমান্তের ঘুমধুম থেকে,নাইক্ষ‍্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের আওতাধীন ৪৩,৪৪, সীমান্ত পিলারের জামছড়ি-আষারতলী পযর্ন্ত বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনতে পান সীমান্তের কাছাকাছি বসবাসরত হাজারো মানুষ।
অপদিকে নতুন করে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শুনা যাচ্ছে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার আন্জোমান পাড়া সীমান্ত দিয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়
চলমান মিয়ানমারের অভ‍্যন্তরে তাদের সেনাবাহিনী ও আরকান আর্মি মাঝে রক্তঝরা সংঘর্ষের জেরে ব্যবহারিত বিভিন্ন গোলাবারুদের বিস্ফোরণের কাপনে কাঁপছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরের বেশ কিছু জায়গা,এই আতঙ্কে সীমান্ত জনপদের অনেকের মাঝে নেমে এসেছে অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা।
কথা হয় তমব্রুর মুদি দোকানের মালিক ফয়েজের সঙ্গে,তিনি বলেন আগের তুলনায় বিক্রি কমেছে ৭০% ভয়ে লোকজন বের হচ্ছেনা,আবার অনেকে জীবনের নিরাপত্তার জন‍্য সড়ে গেছেন অন্যত্রে।


মঙ্গলবারেও সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা পযর্ন্ত তমব্রুর ৩৪,৩৫,সিমান্ত পিলারের মাঝ দিয়ে ১০টি বিস্ফোরণের বড় শব্দ এপারে ভেসে
এসেছে। অনেক্ষণ বন্ধ থেকে আবার দুই টাই দিকেও বড় বড় দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান বলে জানান সবজি ব‍্যাবসায়ী আবদুল্লাহ। তমব্রু বাজার ফাঁকা হয়ে যায়। বর্তমানে ১৫ গ্রামের মানুষ আতঙ্কে অনকে ভয়ে রাতে ঘরছাড়া হয়ে থাকছে।

৪৩,৪৪,পিলারের মধ্যখান দিয়ে সকাল ৮টা সময় ৩টি বড় আকারের বিস্ফোরণের বিকট শব্দ মিয়ানমারের ভিতর থেকে কানে এসেছে বলি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষক মোঃ রহমান।
সব মিলিয়ে ১৫ গ্রামে মানুষ এখন আতঙ্কে রয়েছে।