হ্যাপীকরিম, মহেশখালী :
কুতুবজোম সুমাইয়া (রাঃ) বালিকা দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও এবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক মাওলানা জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার দাবিতে তিনটি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কুতুবজোম জামেউস সুন্নাহ দারুল উলুম দাখিল মাদরাসা ও অফ-সোর হাই স্কুল ও কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।।

বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালনে প্রায় ৩ হাজারের অধীক ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

কুতুবজোম জামেউস সুন্নাহ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলনা রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্যব মাধ্যমে প্রতিবাদ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান কুতুবজোমের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলনা শফিউল আলম, কুতুবজোম অফ-সোর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল করিম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকগণ’সহ স্থানীয় সচেতন নাগরিক হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে অংশ নেন। শিক্ষক ও ছাত্রের একমাত্র দাবী ন্যক্কারজনক এ ঘটনা যারা জড়িত’দের দ্রুত গ্রেফতারে মহেশখালীর আইন শৃংখলা বাহিনী প্রতি জোর দাবি।

গত ২৫ শে আগষ্ট বৃহস্পতিবার সুমাইয়া (রাঃ) বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ক্লাস চলাকালীন সময়ে মাওলানা জিয়াউর রহমান অফিস কক্ষে বসাছিল, হঠাৎ কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই পুর্বপরিকল্পনামতো একদল সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আঘাতে শিক্ষকের মাথায় শরীরে গুরুত্বর জখম হয় তার স্ত্রী রহিমা বেগমও আহত অবস্থায় বর্তমানে চিকিৎসা দিন রয়েছে। পরে তাকে মহেশখালী হাসপাতালের নিয়ে আসা হলে কর্মরত ডাক্তার মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত শিক্ষক মাওলানা জিয়াউর রহমান সুমাইয়া (রাঃ) বালিকা দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকতা করতেন। এর পাশাপাশি তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় ২৭ শে আগষ্ট শনিবার দুপুরে নিহতের ছেলে তৌহিদুর ইসলাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত ২৮ জন’সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রণব চৌধুরী বলেন, হামলার শিকার আহত শিক্ষক মারা যাওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামি বখাটেদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।