মুহাম্মদ মনজুর আলম, চকরিয়া :

চকরিয়ায় সহিংসতার শিকার নারীদের অধিকার রক্ষায় সার্ভিস প্রোভাইডারদের সঙ্গে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চকরিয়া উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ৫৩ হাজার ১০০ জন লক্ষিত জনগোষ্ঠীর মাঝে ৫টি নারী ও কিশোরী সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ২ বছরব্যাপি সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রম এ কর্মসূচীর অর্ন্তভুক্ত রয়েছে । ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির আর্থিক সহায়তায় এনজিও সংস্থা ইপসা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

সোমবার (২০ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন ‘মোহনায়’ অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান। সভায় ইউএনও বলেন, লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা কার্যকরভাবে কমাতে হলে মাদক বিরোধী প্রচারণা এ কর্মসূচির মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। তবেই সফলতা শতভাগ নিশ্চিত হবে। কারণ একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি অবলীলায় নারীদের প্রতি সহিংস হয়ে উঠে। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মানুষ নিজের স্ত্রী কন্যা বা বাইরের নারীদের ওপর নির্যাতন করে থাকে। কারন নেশায় বুদ হয়ে পড়া মানুষ হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে সবসময় নির্যাতিত নারী ও কিশোরীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হয়। ইভটিজিং নিরসনে পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মাঝে মাঝে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি ইপসা’র কর্মকর্তাদের পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে এ কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ করার পরামর্শ দেন।

এনজিও ইপসা’র চকরিয়া উপজেলা ম্যানজার ফিরোজা বেগম ঝুমুরের সঞ্চালনায় ও প্রকল্প সমন্বয়কারী শমসের উদ্দিন মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাহায্য সংস্থা আইআরসি’র টেকনিক্যাল ম্যানজার সুলতানা রাজিয়া, চকরিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইবনে আমিন ও মাতামুহুরি তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আবদুল জব্বার। ##

 
  
%d bloggers like this: