চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আধ্যাত্নিক সাধক হিসেবে পরিচিতি মোসলেম উদ্দিন ফকির (৬৫) উপর হামলা ঘটনার পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁর আশেক, ভক্ত এবং বিভিন্ন দরবারের আওলাদ ও খলিফাগন।

এলাকার বিভিন্ন লোকজন জানান, মোসলেম উদ্দিন ফকির একজন সহজ সরল ব্যক্তি। তিনি এলাকায় আধ্যাত্নিক সাধক হিসেবে পরিচিতি। কিছু মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত দুর্বৃত্ত তাদের স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্য নগ্ন হামলা করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে। যা খুব দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। আমরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

গ্রেপ্তারের বিষয় জানতে চাইলে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, মোসলেম উদ্দিন ফকিরের উপর হামলার ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ এজাহার মূলে অভিযোগ করেনি। তবে হামলাকারীদের পরিচয় আমরা সনাক্ত করতে পেরেছি। আমরা ঘটনাস্থল তদন্ত করে জেনেছি হামলাকারীরা তাঁর বাসায় সব সময় আসা যাওয়া করতো কিন্তু কেন তারা এ হামলা করেছে তা আমরা বের করার চেষ্টা করছি ও আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

এদিকে আধ্যাত্নিক সাধক হিসেবে পরিচিতি মোসলেম উদ্দিন ফকিরের উপর হামলার ঘটনা তীব্র নিন্দা ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবী জানিয়েছেন আস্তানায়ে জহির ভান্ডারের সাজ্জাদানশীন ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নিবার্হী সদস্য পীরজাদা মু. মহরম হোসাইন।

জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় কয়েক বছর আগে বাঁশখালী থেকে আসা দোহাজারী পৌরসভা এলাকার চৌকিদার ফাঁড়িস্থ আদর্শ গ্রামে বসবাসকারী আধ্যাত্নিক সাধক হিসেবে পরিচিত মোসলেম উদ্দিন প্রকাশ মোসলেম ফকির (৬৫) উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে দোহাজারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা শেষে দোহাজারী এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসে বলে জানা যায়।