আব্দুস সালাম,টেকনাফ(কক্সবাজার):
কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং ঝিমংখালী সংলগ্ন নাফনদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার (৯ মে) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে,টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ঝিমংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৫ হতে আনুমানিক ২০০ গজ উত্তর দিকে ঝিমংখালী এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ঝিমংখালী বিওপি হতে একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত স্থানে গমন করে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষারত থাকে। কিছুক্ষণ পর টহলদল একজন চোরাকারবারীকে মায়ানমার থেকে সাঁতরিয়ে নাফনদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে।
উক্ত চোরাকারবারী নদী তীরবর্তী হলে বিজিবি টহলদল চোরাকারবারীকে চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত তার দিকে অগ্রসর হয়।
বিজিবি’র উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই চোরাকারবারী হাতে থাকা ২টি পলিথিনের ব্যাগ ফেলে পুনরায় সাঁতরিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে টহলদল বর্ণিত স্থানে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে পাচারকারীর ফেলে ২টি পলিথিন ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ব্যাগের ভিতর থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মূল্যের ৪০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
ইয়াবা চোরাকারবারীদেকে আটকের জন্য বর্ণিত এলাকা ও পার্শ্ববর্তী স্থানে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারী বা তার সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উক্ত স্থানে অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় চোরাকারবারীকে সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি।তবে চোরাকারবারীদের সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন,ধউদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হবে এবং আইনী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য পরবর্তীতে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হবে।

 
  
%d bloggers like this: