প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

গত ১৭ এপ্রিল রবিবার টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের মতবিনিময় সভায় তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। যা বাস্তবতার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা কতটা সাংবাদিকতা নীতিমালায় পড়ে আমরা জানি না। তবে এটি বুঝতে পেরেছি ছাত্রলীগ বিরোধী একটি চক্র বারবার ছাত্রলীগের সুনাম ধূলিসাৎ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এরুপ মিথ্যে ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা মোটেও কাম্য নয়।

ছাত্রলীগকে নিয়ে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে অথচ জেলা ছাত্রলীগ বা উপস্থিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল নেতা কিংবা উপজেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য নেয়া হয় নি। এমনকি অভিযুক্ত বা অভিযোগকারী কারো বক্তব্য নেওয়া হয় নি।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে সম্প্রতি টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রলীগ সদস্যরা। এসব অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই নেতা সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান ও উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক এস এম রিয়াদ হাসানের নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগ সহ নেতৃবৃন্দরা রবিবার (১৭ এপ্রিল) টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হই। উক্ত মিটিং এ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা নানা অভিযোগ অনুযোগ তুলে ধরেন আমাদের কাছে। হোয়াইক্যং ইউনিট ছাত্রলীগের একজন সদস্যের বক্তব্যে এক পর্যায়ে হৈ চৈ পড়ে যায়। যেখানে মারামারি কিংবা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আমরা নেতাকর্মীদের শান্ত করে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করি। বিষয়টি তুচ্ছ হলেও আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়েছি।
আমরা মনে করি যারা ছাত্রলীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাই, ছাত্রলীগের সুনাম সহ্য করতে পারে না। তারাই মিটিং চলাকালীন সময়ে ষড়যন্ত্র করে থাকতে পারে। কারণ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নতুন কিছু নয়। ছাত্রলীগ বিরোধী চক্রটি সমগ্র দেশে রয়েছে।

আমরা বিশ্বাস করি সাংবাদিকতা সমাজের দর্পন। সে আয়নায় আমরা সমাজকে দেখতে চাই। তাই ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদ পরিহার করে প্রতিটি ইতিবাচক কাজে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পাশে থাকবেন এই আশা রাখি। আপনাদের অনুপ্রেরণা কিংবা সহযোগিতা পেলে সমাজের ভাল কাজের সাথে ছাত্রলীগ সম্পৃক্ত থাকার অনুপ্রেরণা পাবে।

পরিশেষে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রইল।

 
  
%d bloggers like this: