মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাহ) আসনের সংসদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন-প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এখন সবকিছু আধুনিক হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞান ক্রমশ ব্যাপক উন্নতি করছে। ফলে ‘ডোপ টেস্ট’ এখন একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগেই ঘোষণা দিয়েছেন-ডোপ টেস্ট বিহীন সরকারি চাকরিতে যোগদান করা যাবে না। ড্রাইভিং লাইসেন্সও পাওয়া যাবে না। কারণ কোনো মাদকাসক্ত ব্যক্তি দেশের জন্য সঠিক কাজটি কখনো করতে পারেন না। মাদকাসক্তরা গাড়ি চালালে দুর্ঘটনায় অকালে প্রাণ ঝরে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই চালকের লাইসেন্স পেতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

গত ১৬ মার্চ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ‘ডোপ টেস্ট’ (শরীরে মাদকের উপস্থিতি পরীক্ষা) কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

গত ১৬ মার্চ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ মোমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল আরও বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও কল্যান নিশ্চিত করতে সব ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে ডোপ টেস্ট কার্যক্রম-ড্রাইভিং লাইসেন্স, সরকারি চাকরি, শিক্ষার্থীদের জন্য বা মামলার কার্যক্রমের জন্য ডোপ টেস্ট উপকারী হিসেবে কাজ করবে।

জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মো. আশিকুর রহমানের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটিসি) বিভীষন কান্তি দাশ, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, কক্সবাজার বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক উথোয়াইনু চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ডোপ টেস্টের উপর বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরেন-জেলা সদর হাসপাতালের প্যাথোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. জিয়া উদ্দিন।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের সুপার ডা. মোঃ মোমিনুর রহমান বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডোপ টেস্ট কার্যক্রম হাসপাতালে শুরু হয়েছে এবং জেলা সদর হাসপাতালে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। তিনি আরো জানান, হাসপাতালের প্রত্যেক কার্যদিবসে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত হাসপাতালের ১১৭ নম্বর রুমে ৯০০ টাকা সরকার নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যে কেউ ডোপ টেস্ট করাতে পারবেন।

 
  
%d bloggers like this: