আব্দুস সালাম,টেকনাফ (কক্সবাজার):

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহাড়ছড়া গহীণ পাহাড়ে পালিত মহিষ দেখতে গিয়ে আবছার উদ্দিন (৩২) নামের এক যুবক
নিহত হওয়ার ঘটনায় কোনো ক্লু উদঘাটন করা যায়নি।
তবে এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের দাবী, এ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
শনিবার (১৯মার্চ) সকালে নিহতের পিতা বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত যুবক হচ্ছেন,উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী ৯ওয়ার্ড কম্বনিয়া পাড়া এলাকার আব্দুল গফুরের ছেলে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৭মার্চ) বিকেলে প্রতিদিনের মতো জনৈক গফুর মিলে পাহাড়ে তাদের পালিত মহিষ দেখতে যায়। সেখানে কিছুক্ষণ পরে দুইজন দুদিকে ছড়িয়ে পড়েন। সন্ধা হওয়াতে গফুর বাড়ি ফিরলেও আবছার বাড়ি ফিরেননি।
২৪ ঘন্টা শেষ না হতেই গতকাল শুক্রবার বিকালে গহীণ পাহাড়ে আবছারের মরদেহ চিহ্নিত করে পুলিশ খবর দেয় কাঠুরিয়ারা।

হোয়াইক্যং ইউপি সদস্য মো. হাসান ও মো. আলম জানান, গত বৃহস্পতিবার ওই দুইজন পাহাড়ে মহিষ দেখতে যান। তাদের মধ্যে গফুর ফিরলেও আবছার ফিরেননি।পাহাড়ে ধারালো অস্ত্রের কাটা ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পান কাঠুরিয়া। তারা পুলিশকে খবর দেয়া হলে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ আন্ত সড়ক থেকে ৫ কিলোমিটার ভেতরের গহীন পাহাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
তাদের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য মো. হাসান জানান, যেখানে মহিষ দেখছিলেন, সেখানে কিছু সশস্ত্র দূর্বৃত্তদের দেখতে পান তারা। অস্ত্রধারীদের হাতে খুন হন বলে ধারণা তার। তবে কি জন্য ও কারা খুন করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) জায়েদ হাসান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়। এই মামলা দায়েরের পর পরই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কে বা কারা কিভাবে খুন করেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য গতবছরের ১২আগস্ট ওই পাহাড়ি এলাকা থেকে অপহরণের দেড়মাস পর শীলখালী এলাকার সিএনজি চলাক মাহমুদুল হকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ ঘটনায় একাধিক রোহঙ্গাকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

 
  
%d bloggers like this: