বার্তা পরিবেশক:
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে ব্যবসায়ী এইচ এম নূরুল আলম এর মালিকানাধীন জমিতে রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলাকারী ওই জমিতে নির্মিতব্য শালিক রেস্তোঁরার স্থাপনা ভাংচুর ও লুটপাট করেছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে দুই দফায় এই হামলা চালানো হয়। দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করেছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী এইচ এম নূরুল আলম এর মালিকানাধীন জমি থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিলো এক পক্ষ। ওই পক্ষটি ১০লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিলো। দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় ইতিমধ্যে রাতের আঁধারে আরো দুইবার হামলা চালানো হয়। দুই দফায় হামলায়ও ব্যাপক লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়েছিলো। সম্প্রতি ওই জমি শালিক রেস্তোঁরাকে মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দিয়েছে ব্যবসায়ী এইচ এম নূরুল আলম ভাড়া নিয়ে কয়েকদিন আগে থেকে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে শালিক রেস্তোঁরা কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে নির্মাণ কাজ অধিকাংশ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার শহরের হাঙ্গরপাড়ার আনোয়ার হোসেনে পুত্র ফয়সাল ও মোহাম্মদ নূরের নেতৃত্বে শতাধিক লোকজন হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে ওই জমির সীমানা প্রাচীর ও শালিক রেস্তোঁরার নির্মাণাধীণ স্থানপনা ব্যাপকভাবে ভাংচুর করা হয়। এসময় সেখানে পাহারায় থাকারা কেয়ারটেকার শাহেদুল ইসলাম ও শালিক রেস্তোঁরার পাঁচজন কর্মকারীকে লোহার রড, কিরিচসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে মারাত্মকভাবে আঘাত করা হয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সব মিলে এই হামলায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

হামলায় আহত কেয়ারটেকার শাহেদুল ইসলাম জানান, বন্দুক, লোহার রড, কিরিচসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে আকস্মিক হামলা করে। হামলা চালিয়ে তারা ব্যাপকভাবে স্থাপনা ভাংচুর করে এবং অনেক মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই সাথে সেখানে লোকজনকে মারধর করে দ্রæত পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এসময় তারা গুলি ছুঁড়ে ভীতি সৃষ্টি করে। প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করার পর পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে আবারো হামলার করে সংঘবদ্ধ হামলারীরা।

অভিযোগ রয়েছে, আনোয়ার গং ভুয়া কাগজ কিনে মানুষের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। পর্যটন জোনে বার বার ভয়ংকর ও আতঙ্কজনক হামলার ঘটনা নিয়ে বেশ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আগত পর্যটকদের মধ্যে চরমভাবে ভীতি সৃষ্টি হচ্ছে। এমনিতে নানা কারণে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ভাটা পড়েছে। এটা নিয়ে পর্যটন শিল্পে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।