এম.এ আজিজ রাসেল:
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দালাল চক্র। চক্রটির সদস্যরা পর্যটকেরা বাস থেকে নামলেই টানা হেচড়া শুরু করে। জোর করে নিয়ে যেতে চাই তাদের কমিশনের হোটেলে। এতে পর্যটকেরা হয়রানীর পাশাপাশি প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসব দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য রোধে এবার মাঠে নেমেছে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ। গত ৫ আগস্ট ভোরে কলাতলী মোড়ে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১৯ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদের প্রত্যককে ৩দিন করে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এদিকে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এ জন্য শনিবার ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. জিললুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের প্রতি সাক্ষাৎ করে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন হোটেল মোটেল গেস্ট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

এসময় পুলিশ সুপার মো. জিললুর রহমান বলেন, বিদেশী পর্যটক আনতে কক্সবাজারকে পরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে তুলছে সরকার। অচিরেই কক্সবাজার হবে বিশ^ পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু। এতে আরও সমৃদ্ধি হবে দেশের অর্থনীতি। পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা টাকার পাশাপাশি আয় করবে ডলারও।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ঘিরে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সৈকতে স্থায়ীভাবে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা। এতে দেশী—বিদেশী পর্যটকেরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবে।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বক্তব্য রাখেন হোটেল—মোটেল গেস্ট মালিক সমিতির উপদেষ্টা আলহাজ¦ ওমর সুলতান কোম্পানী, সভাপতি আলহাজ¦ আবুল কাশেম সিকদার, সহ—সভাপতি সরওয়ার কামাল, ফোরকান আহমদ, শহীদুল ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান শাহীন, পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, প্রচার সম্পাদক মো. রুবেল, সদস্য মো. আসলাম খান, মোহাম্মদ টিপু প্রমূখ।

হোটেল—মোটেল গেস্ট মালিক সমিতির আলহাজ¦ আবুল কাশেম সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ বলেন, নিম্ন মানের বিভিন্ন হোটেল ও কটেজের সাথে কমিশন ভিত্তিক চুক্তি করে টমটম, অটো রিকসা ও রিকসা চালকেরা পর্যটকদের হয়রানী করছে। এতে তাদের কাছে প্রতারিত হচ্ছে পর্যটকেরা। এ জন্য কক্সবাজারের সুনাম বিনষ্ট হচ্ছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের এই উদ্যোগ পর্যটনকে আরও অনেকদূর এগিয়ে নেবে।

 
  
%d bloggers like this: