পেকুয়া প্রতিনিধি:

২৬ জুলাই ২০২২ ইং ৯ বছর পর কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন। এ সম্মেলনকে ঘিরে গণতান্ত্রিকপন্থায় নতুন কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের চেয়ে কর্মী-সমর্থকদের মাঝে হিসাব-নিকাশ বেশি চলছে। তারা চায়ের দোকান, দলীয় কার্যালয় ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজ নিজ নেতাদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে প্রার্থীরা সবার কাছে দোয়া চাইছেন। সমর্থকদের মধ্যে কোন নেতা কোন পদ পাবেন তা নিয়ে চলছে হিসাব-নিকাশ। সব মিলিয়ে সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজমান। ইতোমধ্যে গণতান্ত্রিকপন্থায় নির্বাচন করার জন্য কাউন্সিলার তালিকা দলীয় কার্যালয়ে নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়েছে।

জানা গেছে, জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠে আয়োজিত দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সম্মেলন সফল করতে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এম শহিদুল্লাহ ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে সাত ইউনিয়নের সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন শেষ করে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করে। এরপর ইউনিয়ন ও উপজেলার পরিক্ষিত নেকাকর্মীদের কাউন্সিলার করে উপজেলা সম্মেলন আয়োজনে এগিয়ে যায়। ১০হাজার এর উর্ধ্বে জনসমাগম করার মনস্থির করে আয়োজন সফল করতে ইতোমধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে বর্ধিত সভাও শেষ করা হয়। জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক টিম ও চকরিয়া- পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম এর সার্বক্ষনিক তদারকিতে কলেজ মাঠে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপজেলা জুড়ে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ করে নিজ নিজ নেতাদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্যান্ডেল নির্মাণসহ কলেজ মাঠজুড়ে সামিয়ানা টানানো হয়েছে।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলকে সুসংগঠিত করতে একটি কার্যকর ভুমিকা রাখবে সম্মেলন ও কাউন্সিল। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সভাপতি-সম্পাদকের যে কমিটি আসবে তাদের স্বাগত জানিয়ে দলের জন্য কাজ করবেন তারা।

পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এম শাহাদাত হোছাইন বলেন, কলেজ মাঠে আয়োজিত সম্মেলন শেষ করতে সমস্ত আয়োজন শেষ পর্যায়ে। সুশৃঙ্খলভাবে একটি সফল আয়োজন করার জন্য সদর ইউনিয়ন আ’লীগ কাজ করে যাচ্ছে।

উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গণতান্ত্রিকপন্থায় সম্মেলন করে নেতৃত্ব সৃষ্টি করা হয়েছে। এরপর মতবিনিময় সভাও করা হয়েছে। সেই সাথে স্বচ্চ কাউন্সিলর তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে ১০ হাজার নেতাকর্মীর জনসমাগমের মধ্য দিয়ে উপজেলার ইতিহাসের শ্রেষ্ট সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা আ’লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এম শহিদুল্লাহ বলেন, সম্মেলন ও কাউন্সিল শেষ করতে ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। উপ-কমিটির মাধ্যমে দায়িত্ব বুঝে দেয়া হয়েছে। একটি সফল সম্মেলন শেষ করার সর্বাত্মক চেষ্টায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা বেশ উৎসাহ আর উদ্দীপনায় কাজ করে যাচ্ছে।

 
  
%d bloggers like this: