আব্দুস সালাম,টেকনাফ (কক্সবাজার):
কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের পুরান পল্লান পাড়া এলাকায় আপন জম্মদাতা ছেলেদের কর্তৃক নিজ পিতাকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৮ জুলাই) এ ঘটনায় পিতা হাজী সালেহ আহাম্মদ বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মোঃ আলম (২৫), মোঃ সরওয়ার (২৮) দুজনই আমার জম্মদাতা ছেলে। তারা টেকনাফ উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সর পূর্ব গেইট সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বে আমার স্বত্ব দখলীয় জমিতে (টেকনাফ মৌজার-দিয়ারা-৩১৬০ নং খতিয়ানের অধীনে দিয়ারা -৩৮৩ দাগের স্থিত নাফ সীমান্ত প্যাথলজী সেন্টার ও ফটোকপি এর দোকান।
নির্মিত দোকানে স্থাপিত একটি ল্যাব নাফ সীমান্ত প্যাথলজী সেন্টার ও একটি ফটোকপির দোকান রয়েছে। যা আমার মালিকধীন। আপন ছেলেদের সাথে বসবাস করা অবস্থায় দোকান থেকে আয় করা অর্থ আমাকে দিবে বলে অঙ্গীকার করিলে আমি ৭ বছর আগে থেকে ছেলেদেরকে দোকানগুলো বুঝিয়ে দিই। এরপর থেকে তারা দোকানগুলোতে টাকা উপার্জন করে আসলেও দোকান থেকে উপার্জিত টাকার হিসাব-নিকাশ চাইলে কালক্ষেপন ও তালবাহানা করে আসিতেছে। পরে বার বার তাদেরকে টাকার জন্য বলিলে তারা আমার থেকে জোরপূর্বক আলাদা হয়ে যায়। এতে টাকার হিসাব চাইলে এক পর্যায়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিচার সালিশ দিলে সেই আক্রোশে গত ২০ জুলাই রাতে জম্মদাতা অভিযুক্ত ছেলোরা আমার বসত-বাড়িতে এসে জানালার গ্লাস ভেঙে ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। ফের গন্যমাণ্য ব্যক্তিদের বিচার দিলে উশৃংখল হওয়ায় তাদের বিচার কেউ করেনা। গত ৭ জুলাই রাত সাড়ে ৭টার দিকে টাকার হিসাব চাইলে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে গালিগালাজসহ আক্রমণ করলে আমি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পায়। এরা আমার স্ত্রী অভিযুক্তদের সৎ মাকেও মারধর করে। এমতাবস্থায় আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় থাকায় আমিও আমার পরিবার উক্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার এএসআই রকিব উদ্দিন জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 
  
%d bloggers like this: