জালাল আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রধান দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মনোনীত একজন শিক্ষক প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রক্টরকে সহযোগিতা করার জন্য থাকেন কয়েকজন সহকারি প্রক্টর। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিস থেকে সার্বিক সহযোগিতা পাই না। অনেকে নিরাপত্তা চাইতে গিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।
২০২০ সালের ১৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।এই সময় শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছিলেন। করোনা মহামারীর সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতা করার জন্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের ছাত্র এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক(জিএস) জুলিয়াস সিজার তালুকদার ২০২০ সালের ২১ জুন প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা মঞ্চ। ফেসবুক গ্রুপ ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এটি।আজ ২১ জুন ২০২২ দ্বিতীয় বর্ষ পেরিয়ে তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা মঞ্চ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সাইকেল প্রদান সহ নানা সহযোগিতা করে থাকে ছাত্রনেতা জুলিয়াস সিজার তালুকদার।
জানা যায়,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা মঞ্চ
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫৩০টির বেশি সমস্যা কেন্দ্রীক ঘটনার (কেস) সমাধান করেছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং সরকারের সাথে তদবির করেন তারা।

এই বিষয়ে জুলিয়াস সিজার তালুকদার বলেন,
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ও জাতি স্বকীয়তার প্রাণ। এই প্রাণকেন্দ্র থেকেই যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, পরবর্তীতে সেটাই নানা ধারায় উৎসারিত হয়ে এই জাতির পূর্ণাঙ্গ বিকাশ৷ আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই নিরাপত্তা মঞ্চ-এর প্রতিষ্ঠা করেছি পারস্পরিক সংযোগ স্থাপনের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য৷ আশা করি বিগত ২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আমরা আরো নিখুঁতভাবে জাতীয় পরিসরে কাজ করতে পারবো মানুষের জন্য, ইনশাআল্লাহ”।

 
  
%d bloggers like this: