এম. এ আজিজ রাসেল :
শহরের উত্তর নুনিয়া ছড়ায় একটি গলির কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এ। যার ফলে গলির সাথে লাগোয়া কবরস্থানে লাশ আনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, উত্তর নুনিয়া ছড়ার কবরস্থানের সাথে ২ ফিট একটি সরু গলি রয়েছে। সেখানে বসবাস করেন প্রায় ৫০টি পরিবার। গলিটি খুবই সরু হওয়ায় স্থানীয়দের চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসূতি মা ও রোগী আনা-নেওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কেউ মারা গেলে খাটিয়াও আনা সম্ভব হয় না। যার কারণে হাতে লাশ বহন করে প্রধান সড়কে এসেই খাটিয়ায় তুলতে হয় লাশ।

উত্তর নুনিয়া ছড়া এলাকার বাসিন্দা পর্যটন ব্যবসায়ী হোসাইন আহমদ বাহাদুর বলেন, আমার শ্রদ্ধেয় পিতার মৃত্যুর লাশ আনতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গলির পাশে স্থানীয় নজির আহমদ কোম্পানির বাড়ি। জায়গাটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। গলিটি বড় করার জন্য তাঁকে এলাকার সবাই ৩ ফিট জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। এ জন্য তাঁর প্রাপ্যও দিতে রাজি আমরা। মেয়র, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় কাউন্সিলর বিষয়টি সুরাহার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু এখনো আমরা কোন সমাধান পায়নি।

জানা গেছে, সড়কটির উন্নয়নে টেন্ডার হয়েছে। কিন্তু এখনো কাজ শুরু হয়নি। চলতি বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলে হাঁটু পরিমাণ পানি উঠে যায়। এতে বেড়ে যার দুর্ভোগের মাত্রা।

এ বিষয়ে কক্সবাজার পৌরসভার কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বলেন, সড়কটির উন্নয়নে প্রথমে ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। পরে সেটি সাড়ে ১০ লক্ষ টাকা বৃদ্ধি করি। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। এছাড়া নজির আহমদ কোম্পানির সাথে জায়গা ছাড়ার বিষয় নিয়ে আবারও আলাপ করা হবে।

 
  
%d bloggers like this: