বার্তা পরিবেশক:

পিএমখালীর আলোচিত সিকান্দর হত্যার মামলায় অবশেষে কারাগারে গেলো দুই আসামী। দীর্ঘ ১১ মাস পর কক্সবাজার আদালতে জামিন নিতে গেলে জেলা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। আসামীরা হলেন, পিএমখালীর জুমছড়ি সাতঘরিয়া পাড়ার রশিদ আহমদের ছেলে রহিম উল্লাহ ও ছলিম উল্লাহ।

গত বছরের ২৪ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো কিরিচ, রাম দা, ছোরা লোহার রড দিয়ে পিঠিয়ে ও নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় স্থানীয় মো. সিকান্দরকে। পর দিন ২৫ জুন সিকান্দরের স্ত্রী রাশেদা বেগম বাদী হয়ে ১০/১২ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকে আসামীরা।

এদিকে এই মামলার দুই আসামীকে কারাগারে পাঠানোর মধ্য দিয়েই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- পাবে বলে মনে করেন আইনজীবি মোহাম্মদ সাবের ওসমান।

তিনি জানান, নির্মম হত্যাকা-ে জড়িত আসামীরা দীর্ঘদিন পালিয়ে থেকে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের জন্য জামিন নিয়ে আসে। পরে তারা নি¤œ আদালতে আসলে মহামান্য বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে আসামীদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

স্বামী হারা ৬ সন্তানের জননী রাশেদা বেগমও দাবী করছেন তার স্বামীর নৃশংস হত্যার সঠিক বিচারটি।

এই মামলার অনান্য আসামীরা হলেন, রাহামত উল্লাহ, ছলিম উল্লাহ, লাল মিয়া, রহিম উল্লাহ, মো, সোহেল, রশিদ আহমদ, সিরাজুল ইসলাম, মোরশেদ, নুরুল ইসলাম প্রকাশ লুদু মিয়া, মনির আহমদ, রায়হান ও মো. ইসমাইল।

ছেরাংঘর বাজারে প্রকাশ্যে দিনদুপুরে সিকান্দরকে হত্যা করার পরেও এখনো তার পরিবারকে প্রতিনিয়ত হুমকি প্রদর্শন করছে আসামী রশিদ আহমদের পরিবার এমন অভিযোগ তুলছেন নিহতের বোন শাহিনা আক্তার।

পিএমখালীর সিকান্দার হত্যাকা-ে ১ নং আসামী রাহামত উল্লাহসহ অন্যান্য আসামীদের আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন নিহতের পরিবার।