মো. নুরুল করিম আরমান, লামা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের লামা উপজেলার একটি বাগান বাড়িতে ডাকাতির সময় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ৪ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কুমারী এলাকার খন্দকার ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হকের বাগান বাড়িতে সোমবার রাত ১০টার দিকে ডাকাতির সময় তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটকরা হলো- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া পৌরসভা এলাকার চিরিঙ্গা বিমান বন্দর জালিয়া পাড়ার বাসিন্দা জাকারিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান (২৪), কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝাউতলা গাড়ির মাঠের বাসিন্দা মো. মনিরের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২২), মনির আহমদের ছেলে মো. নাঈম উদ্দিন (২০) ও নতুন বাহার ছড়ার বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে মো. আকবর হোসেন (২৮)। ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সোমবার দিনগত রাত ১০টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা এলাকার পালাকাটা এলাকার বাসিন্দা মো. নাছিরের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একদল ডাকাত খন্দকার ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হকের বাগান সংলগ্ন সড়কে ডাকাতির জন্য ফাঁদপাতে। ডাকাতরা চকরিয়া থেকে লামাগামী একটি মোটর সাইকেল আরোহীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেওয়ার পর পাহাড়ের ভিতরে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এ সময় ডাকাতদল সড়কের টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে খন্দকার ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হকের বাগান বাড়িতে ঢুকে শ্রমিকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ল্যাপটপ, সিসি ক্যামেরা, মোবাইল সেট ও নগদ টাকা লুটে নেয়। ডাকাতির ঘটনা শুনে বাগান ম্যানেজার আবদুল মাজেদ বুলবুল তাৎক্ষনিক কুমারী ও থানা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে প্রথমে ৯ ডাকাত সদস্য পালিয়ে গেলেও পুলিশ হাবিবুর রহমান নামের একজনকে ধরে ফেলেন। পরে আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩ জনকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ডাকাতির সময় একজন ও পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে আরো ৩ জনকে আটক করা হয়। ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১৫জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।