জিয়াউল হক জিয়া,চকরিয়াঃ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক ও জনপদ (সওজ) কক্সবাজার শাখার অধিনস্হ খুটাখালী টু মহেশখালীর সংযোগ সড়কটি জেলা মহাসড়ক নামে পরিচিত।ঠিকাদার এই সড়কটি সংস্কার কাজ মাত্র তিন মাস পূর্বেই করেছে। সড়ক সংস্কারে তিন মাস পূর্ণ না হতেই প্রায় দুই চেইন মত সড়ক ধসে ছড়া পতিত হয়েছে।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,খুটাখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডস্হ জেলা মহাসড়কের উত্তর ফুলছড়ি নামক এলাকায় করা সড়ক সংস্কার কাজটি সিডিউল মোতাবেক না হওয়ায়,সংস্কারের তিনমাসের মাথায় ধসে ছড়ায় পতিত হয়েছে।ফলে র্দূভোগ পোহাচ্ছে ৭ গ্রামের জনগণ সহ চিংড়ি ও লবণচাষ করা হাজারো লোকজন।তাছাড়া সড়কটি ভেঙ্গে পড়ায় থ্রি-হুইলার গাড়ী,ট্রাক,মিনিট্রাক সহ সকল যানবাহন চলা বন্ধ হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী জানায়,জেলা মহাসড়কটি পূর্বে কার্পেটিং করা সড়ক ছিল।কয়েক বছর পূর্বে বর্ষার পানিতে সড়কটি ২/১টি অংশ ভেঙ্গে যায়।পাশাপাশি সড়কটির পুরো অংশে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছিল।এমতাবস্থায় চলিত বছর সড়কটি পূণঃসংস্কারের অনুমোদন হয়।অনুমোদনের পরে কক্সবাজারের প্রভাবশালী এক ঠিকাদার সড়কটি কাজ করেছে।কাজের শেষে তিনমাস যেতে না যেতে দুই চেইন মত সড়ক ধসে ছড়া পতিত হয়েছে।তাহলে বুঝা যায়,সড়ক সংস্কার কাজটি টেকসই নয়।তিন মেয়াদী।

এবিষয়ে খুটাখালীর ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল আজিম বলেন,জেলা মহাসড়কের উত্তর ফুলছড়ি এলাকার প্রায় দুই চেইন মত সড়কটি ধসে ছড়া পতিত হয়।এতে যানচলাচলা বন্ধ হয়ে পড়েছে।বিষয়টি আমি চেয়ারম্যানকে অবহিত করি।পরে পরিষদের কর্মসূচীর লোকজন দিয়ে ইটগুলো যা পেয়েছি,তা সংরক্ষণ করে রেখেছি।

এবিষয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর,কক্সবাজার শাখার সহকারী -প্রকৌশলী অফিসার মশিউর রহমান বলেন,খুটাখালী টু মহেশখালী সংযোগ সড়ক বা জেলা মহাসড়কে সংস্কারকৃত কিছু অংশ ছড়া দিকে ধসে পড়ার খবর পেয়েছি।খবরটি শুনে আমি ঠিকাদারকে দ্রুত ধসে পড়া সড়কের অংশের কাজ করে দিতে নির্দেশ দিয়েছি।কয়েক দিনের মধ্য কাজটি সম্পন্ন করে দিবে জানিয়েছেন তিনি।