সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
বাঙালির প্রাণে, চিন্তায়, চেতনা, মননে-এককথায় সমগ্র সত্ত্বাজুড়েই রবীন্দ্রনাথ প্রবলভাবে বিরাজমান। রবীন্দ্রনাথ সবসময়ই প্রাসঙ্গিক, তিনি চির নূতনের কবি, বর্তমান, ভবিষ্যৎ ও কালোত্তীর্ণ কবি। রবীন্দ্রনাথের বিচরণ বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায়।
মানুষকে বাদ দিয়ে বিশ্বজগ, পারলৌকিক জগ, সত্য, ধর্ম কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘মানুষের ধর্ম নাম গ্রন্থে বলেছেন, ‘ধর্ম মানেই মনুষ্যত্ব- যেমন আগুনের ধর্ম অগ্নিত্ব, পশুর ধর্ম পশুত্ব। তিনি সত্য, সুন্দর, ন্যায় ও কল্যাণের পথে অভিসারি হয়ে ওঠার প্রেরণা জুগিয়ে বাঙালি মননকে বিশ্বমানে অধিষ্ঠিত করেছেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের বাঙালিত্ব, বাঙালি সংস্কৃতি ও মননশীলতা চর্চা করার পাশাপাশি রবীন্দ্র চর্চার উদ্যোগ নিতে হবে। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন দর্শন, সাম্য ও শান্তির বাণী, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমাজে প্রতিষ্ঠা ও রবীন্দ্রচর্চাকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিয়ে একবটি মানবিক বিশ্ব গড়ে তুলতে হবে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জয়ন্তী উপলক্ষে ‘মানবিক সংকট ও রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
গত (০৮ মে, ২০২২), ২৫ বৈশাখ, সন্ধ্যা সাতটায় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র জয়ন্তীর আয়োজনে ছিল, গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও কথামালা। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কক্সবাজার ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিভীষণ কান্তি দাশ।
অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সোমেশ্বর চক্রবর্তী, বিশিষ্ট রাজনীতিক নুরুল আবছার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রেজাউল করিম, বিশিষ্ট নাট্যজন এড. তাপস রক্ষিত, বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী জসীম উদ্দীন বকুল, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সত্যপ্রিয় চৌধুরী দোলন, সাধারণ সম্পাদক নজিবুল ইসলাম। পুরো অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সায়ন্তন ভট্টাচার্য্য ও ইপ্সিতা আবরার।