আব্দুস সালাম,টেকনাফ(কক্সবাজার):
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা দমদমিয়া জাহাজ ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শুক্রবার (৭মে) রাতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৮ হতে আনুমানিক ৫০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে কেয়ারী লঞ্চ ঘাট এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ দমদমিয়া বিওপি হতে একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত স্থানে গমন করে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষারত থাকে। কিছুক্ষণ টহলদল একজন চোরাকারবারীকে জালিয়ারদ্বীপ হতে একটি ককশীট দিয়ে তৈরীকৃত ভেলা যোগে নাফনদী দিয়ে কেয়ারী ঘাটের দিকে আসতে দেখে। টহলদল উক্ত চোরাকারবারীকে দেখা মাত্রই চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত তার দিকে অগ্রসর হয়। বিজিবি’র উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই উক্ত চোরাকারবারী ভেলা হতে লাফিয়ে সাঁতার দিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক পূর্ব থেকেই কৌশলগত অবস্থানে থাকা বিজিবি টহলদল স্পীডবোটের মাধ্যমে উক্ত ভেলাটিকে আটক করতে সক্ষম হয়। ভেলা থেকে ৯০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ইয়াবা কারবারীকে আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকা ও পার্শ্ববর্তী স্থানে পরবর্তী সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারী কিংবা তার সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উক্ত স্থানে অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় চোরাকারবারীকে সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি। তবে তাকে সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হবে এবং আইনী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য পরবর্তীতে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হবে।