জালাল আহমদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন ,”প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন দেখে মৌলবাদী এবং জঙ্গিবাদী শক্তির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাদের রাতে ঘুম হয় না। তাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। সারাক্ষণ তাদের বুকে জ্বালা যন্ত্রণা করে। তাদের অন্তর জ্বলে। তাই মৌলবাদী শক্তি বিভিন্ন নাম দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।

আজ ৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে “ক্যাম্পাসে ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অপতৎপরতার প্রতিবাদে” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় আয়োজিত এক‌ বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন ।
তিনি মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দিয়ে বলেন,” সাহস থাকলে আমাদেরকে সামনাসামনি মোকাবেলা করেন। পেছন থেকে নয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন , মৌলবাদী শক্তি জয় বাংলা শ্লোগান মুছে দিয়ে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ শ্লোগান দিচ্ছে। তিনি বলেন , যাদের বাংলাদেশে জয় বাংলা শ্লোগান দিতে লজ্জা লাগে, তাদের বাংলাদেশে থাকার কোন অধিকার নেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন ,
এখন পবিত্র মাহে রমজান মাস চলছে।
ঢাবির ছাত্রী হল গুলোতে জঙ্গিবাদী সংগঠন গুলো অপতৎপরতা চালাচ্ছে। ছাত্রলীগ তাদেরকে প্রতিহত করবে।
টিএসসির সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোতে যেখানে
মৌলবাদী শক্তির বিষদাঁত দেখা যাবে , সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, জঙ্গিবাদী সংগঠন গুলোর অপতৎপরতা দেখে
আমরা কাবুলে ক্লাস করছি নাকি ঢাকায় ক্লাস করছি বুঝতে পারছি না।
পরিবেশ পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে প্রক্টরের দায়িত্ব আছে মৌলবাদী শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন সৃষ্টি করা।
কখনো রাজনীতির নামে, কখনো সামাজিক সংগঠনের নামে , কখনো সাংস্কৃতিক সংগঠনের নামে একটি গোষ্ঠী ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করছে। তারা
টাইমলাইনে লিবারেল কিন্তু ইনবক্সে মৌলবাদী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবরোধবাসিনী হওয়ার জন্য আসে নি, সুলতানার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য এসেছেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য,
সোহানুর রহমান সোহান, রাকিবুল হাসান নোবেল,রনক জাহান রাইন ,ফরিদা পারভীন প্রমুখ।
তাছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ‌

 
  
%d bloggers like this: