আব্দুস সালাম,টেকনাফ (কক্সবাজার) :
রোহিঙ্গ ক্যাম্প প্রশাসনের চোখ ফাঁকি ও কাটা তারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত রোহিঙ্গা কৌশলে বাহির হয়ে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে।

সোমবার দিনব্যাপী টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের বিভিন্ন টিম ক্যাম্পের বাহিরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে টমটম (অটোরিক্সা) চালক, টেম্পো চালক এবং বিভিন্ন দোকানে কর্মরত রোহিঙ্গা কর্মচারীদের আটক করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গা নিয়ন্ত্রণে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে ৪টি চেকপোষ্টে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি চেকপোস্টগুলো উঠে যাওয়ায় রোহিঙ্গারা নির্ভয়ে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে।

টেকনাফ উপজেলা সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর সাধারণ সম্পাদক এবিএম আবুল হোসেন রাজু বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের সেনাবাহিনীর চেকপোস্টগুলো উঠে যাওয়ায় রোহিঙ্গারা সর্বত্রে ছড়িয়ে পড়ছে। একই ভাবে জেলা জুড়ে বেড়েছে অপরাধ কর্মকাণ্ড। সোমবার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে বের হয়ে বিভিন্ন কাজকর্মে করার সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ জন রোহিঙ্গাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, টেকনাফের বিভিন্ন স্টেশনের আশেপাশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে রোহিঙ্গাদের স্ব-স্ব ক্যাম্প ইনচার্জদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে৷
উল্লেখ্য, গত ২১ মার্চ কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে মালয়েশিয়াগামী ট্রলার থেকে ১০০ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশ। এর ৪দিন পর গত ২৫ মার্চ টেকনাফের বাহারছড়া উপকূল থেকে ৫৮ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকে আটক করা হয়। তারা ক্যাম্প থেকে বের হয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা যায়।

 
  
%d bloggers like this: