সংবাদদাতা:
২৯ মার্চ ছিলো মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি এবং কক্সবাজার জেলার মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ মো. শরীফ চেয়ারম্যানের পুত্র ওসমান গণি চেয়ারম্যান হত্যার ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী ।

১০ম মৃত্যু বার্ষিকীতে ৪০ টি হাফেজ খানায় খতমে কোরআন, মিলাত মাহফিলও ইছালে সওয়াব মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

স্বল্প পরিসরে পিতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে কালারমারছড়ার জনপ্রিয় চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ।

২০১২ সালে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা নিজ অফিসে কক্সবাজার জেলার মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ মো. শরীফ চেয়ারম্যানের পুত্র ওসমান গণি চেয়ারম্যানককে কুপিয়ে ও গুলি করে নির্মমভাবে তাঁকে হত্যা করেন। এই হত্যার ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি দলের কেন্দ্র পর্যায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

মহেশখালীর সাধারণ লোকজনের ভাষ্য, ওসমান চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষকে অনেক ভালোবাসতেন। বিশেষ করে দক্ষিণ মহেশখালী নেতাদের অবহেলা ও নির্যাতনের বিষয়ে তিনি একমাত্র সরাসরি প্রতিবাদ করতেন। তাই পরিকল্পনা করে তাকে হত্যা করা হয়।

শহীদ ওসমান চেয়ারম্যানের কনিষ্ঠ পুত্র কালারমারছড়ার ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান তারেক শরীফ বলেন, আমার বাবা একজন ত্যাগী ও জনদরদি নেতা ছিলেন। তিনি অন্যায় ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে সব সময় সোচ্চার ছিলেন। এতে সুবিধা করতে না পেরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা যোগসাজস করে আমার বাবাকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করেছে ।

গত ২৯ মার্চ আমার পিতার ১০ম মৃত্যু বার্ষিকীতে ৪০টি হাফেজ খানায় খতমে কোরআন, মিলাত মাহফিলও ইছালে সওয়াব মাহফিলের আয়োজন করেছি। আমার বাবার ১০ম মৃত্যু বার্ষিকীতে সকলে আমার মরহুম পিতা শহীদ ওসমান চেয়ারম্যানের জন্য দোয়া করবেন।

 
  
%d bloggers like this: